তথ্য কমিশনের নতুন সাইটে আপডেট দেখুন

Archive ১২টি অভিযোগের মধ্যে ৯টির নিষ্পত্তি
Home Archive ১২টি অভিযোগের মধ্যে ৯টির নিষ্পত্তি
১২টি অভিযোগের মধ্যে ৯টির নিষ্পত্তি

ঢাকা, ০৬ অক্টোবর, ২০১৩:

তথ্য অধিকার আইনের আওতায় তথ্যবঞ্চিত ১২জন অভিযোগকারীর আমলে নেয়া অভিযোগের শুনানীশেষে তথ্য কমিশন আজ ৯টি অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং অনিষ্পন্ন ৩টি অভিযোগের শুনানীর পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এর মধ্যে একটি অভিযোগ ছিলো স্বয়ং তথ্য কমিশনের বিরুদ্ধে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠার তথ্য কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপীল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এটাই হচ্ছে প্রথম অভিযোগের শুনানী।

 

প্রথম শুনানী ছিলো ঢাকায় কর্মরত ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম বনাম তথ্য কমিশন। অভিযোগকারী বাংলাদেশ বার কাউন্সিল, এটর্নি জেনারেল অব বাংলাদেশ এর কার্যালয়, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন, জেলা ও দায়রা জজ, ঢাকা কার্যালয়, স্পেশাল ব্রাঞ্চ অব পুলিশ ঢাকা, ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ অব পুলিশ, ঢাকা কার্যালয় কর্তৃক আজ পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপিল কর্মকর্তা নিযুক্ত না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে আইনগত নির্দেশনা চেয়ে কমিশনে অভিযোগ করেন।

কিন্তু অভিযোগকারী ইতোমধ্যে (২ অক্টোবর) উক্ত ছয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে রুলও জারী করেছে হাইকোর্ট, যা তিনি গোপন রেখে কমিশনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। ফলে কমিশন অভিযোগকারীকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দিয়েছে।

নিষ্পত্তিকৃত অন্যান্য অভিযোগের মধ্যে-সিরাজগঞ্জের ফেরদৌস হাসান বনাম প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রণালয়, ঢাকার নাসিম আহমেদ বনাম ঢাকা সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকার ইকবাল হোসেন বনাম সমবায় ভবন, ঢাকার আ আ ম একরামুল হক বনাম যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার মাহমুদ আল হাসান বনাম নীলফামারী বিআরটিএ লাইসেন্সিং অথোরিটি এবং কিশোরগঞ্জের মাওলানা কারী ইলিয়াস বনাম কিশোরগঞ্জ ইসলামিক ফাউণ্ডেশন উল্লেখযোগ্য। প্রার্থিত তথ্যপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকতার বিরুদ্ধে কমিশন থেকে সমন জারী করা হয়েছিলো।

শুনানীতে অংশ নেন প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারূক, তথ্য কমিশনার সাবেক সচিব এম এ তাহের ও তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ডঃ সাদেকা হালিম।

উল্লেখ্য যে, অভিযোগকারীগণ নির্ধারিত ফরম্যাটে তথ্য চেয়ে বঞ্চিত হবার পর সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন আপীল কর্তৃপক্ষের নিকট আপীল করেন। সেখানেও প্রতিকার না পেয়ে আইনানুযায়ী তথ্য কমিশনে অভিযোগপেশ করে থাকেন।

 

 

Who's Online

We have 58 guests online