তথ্য কমিশনের নতুন সাইটে আপডেট দেখুন
হোম আর্কাইভ খুলনার তথ্য অধিকার আইনের ৭ ধারা বিষয়ক গোলটেবিল
খুলনার তথ্য অধিকার আইনের ৭ ধারা বিষয়ক গোলটেবিল

 

প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন- একেবারেই নতুন আইন হিসেবে এতে কিছু ভুল-ভ্রামিত্ম থাকতেই পারে। কিন্তু আইনটির মাধ্যমে এখন যে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন, তাও অস্বীকার করা যায়না। এ আইন জনগণকে ক্ষমতায়নের প্রকৃত স্বাদ পাইয়ে দিচ্ছে এবং জনগণ এখন অবাধেই তথ্যপ্রাপ্তির জন্য সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারছেন-এতেই এর সার্থকতা বলেও তিনি উলেস্নখ করেন।

 

 

মোহাম্মদ ফারুক ধারা-৭ এর উলেস্ন­খ করে আরো বলেন, অনেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাই তথ্যপ্রদানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাইছেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তথ্য কমিশন তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। সংশোধনের মাধ্যমে ধারা-৭কে আরো সময়োপযোগী করলে এর অপব্যবহার করার সুযোগ কমবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল জলিল, তথ্য কমিশনের সচিব মোঃ ফরহাদ হোসেন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মাহবুব হাকিম, এমআরডিআই এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এমআরডিআই এর এডভাইজার (প্রগ্রাম অপারেশন্স) তথ্য কমিশনের সাবেক সচিব নেপাল চন্দ্র সরকার।

বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল জলিল বলেন, দেশটা জনগণের তাই দেশের সকল তথ্যও জনগণের। কেউ যেন বিশেষ উদ্দেশ্যে এই ধারা ব্যবহার করে জনগণকে তথ্য বঞ্চিত না করে সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

তথ্য কমিশনের সচিব মো: ফরহাদ হোসেন বলেন, তথ্য অধিকার আইনের ধারা ৭ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই ধারার মধ্যে যদি এমন কোন বিষয় থেকে যায় যা জনগণের তথ্য প্রাপ্তিতে বাধা সৃষ্টি করে তা দূর করা প্রয়োজন। পাশাপাশি এই ধারার বিধানগুলো সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিৎ।

গোলটেবিলে খুলনা বিভাগ ও জেলার সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্নসত্মরের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

 

 

এই মুহূর্তে ভিজিটর

আমাদের সাথে আছে 60 অতিথি অনলাইন