তথ্য কমিশনের নতুন সাইটে আপডেট দেখুন

Archive সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
Home Archive সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে তথ্য কমিশনের তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক সভা

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে তথ্য কমিশনের তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক সভা

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সিনিয়র সাংবাদিকগণের সাথে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক এক মত বিনিময় সভা প্রধান তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড. মো: গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে আজ তথ্য কমিশনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের বার্তা প্রধান জনাব খালেদ মহিউদ্দিন, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব নাঈমুল ইসলাম খান, প্রথম আলোর যুগ্ন সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, ৭১ টেলিভিশনের বার্তা পরিচালক সৈয়দ ইসতিয়াক রেজা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) সুরথ কুমার সরকার, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক জনাব আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক জনাব শ্যামল দত্ত, দৈনিক সমকালের সহযোগী সম্পাদক জনাব অজয় দাশ গুপ্ত, কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক জনাব রাহুল রাহা, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সিনিয়র বার্তা সম্পাদক রাশেদ আহমেদ, বিভিন্ন চ্যানেলের সিনিয়র রিপোর্টার ও তথ্য কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ। মত বিনিময় সভায় তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ কে কীভাবে আরো অধিক কার্যকর ও জনগণের জন্য ফলপ্রসূ করে তোলা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়।একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল জনসচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে জোর দিতে বলেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সভা এর মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইনকে জনগণের দৌড়গোঁড়ায় পৌছানোর পরামর্শ দেন। তথ্য অধিকার আইনের পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন করা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের বার্তা প্রধান জনাব খালেদ মহিউদ্দিন বলেন, ৫০০০ টাকা জরিমানা খুবই কম। এমন অনেক তথ্য আছে যা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা না দিয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে দিবে। তিনি ধারা ৩২ অনুযায়ী কতিপয় সংস্থার ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য না থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন।প্রথম আলোর যুগ্ন-সম্পাদক মিজানুর রহমান খান তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সরকারের এক মহতি উদ্যোগ উল্লেখ করেন।দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব নাইমুল ইসলাম খান বলেন তথ্য অধিকার আইনকে জনগণের নিকট আরো কার্যকরী, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্টিকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তথ্য কমিশনকে পরামর্শ দেন। ৭১ টেলিভিশনের বার্তা পরিচালক সৈয়দ ইসতিয়াক রেজা জনগণ তথ্য পেতে আগ্রহী কী না জানতে চান। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক জনাব রাহুল রাহা বর্তমানে আবেদন সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ জানতে চান। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধান তথ্য কমিশনার বলেন জনগণকে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতন করতে তথ্য কমিশন সদা সচেষ্ট। ইতোমধ্যে আমরা ৬৪ টি জেলা ও ৬৭ টি উপজেলায় প্রায় ২৫,০০০ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি ও জনঅবহিতকরণ সভা করেছি। তথ্য কমিশনে আগে যেখানে মাসে দুই থেকে তিন দিন শুনানী হত সেখানে বর্তমানে পাঁচ থেকে সাতদিন শুনানী হচ্ছে। জরিমানার অর্থ ৫০০০ টাকা কম কিন্তু একজন কর্মকর্তাকে বিভাগীয় শাস্তির নির্দেশ দানের বিধান থাকায় আইনটি কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। তথ্য অধিকার আইনের প্রচারে ও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে তিনি মিডিয়াকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার বলেন গত ছয় বছরে প্রায় ৭৭ হাজার আবেদন নিস্পত্তি হয়েছে। মোবাইলের ক্ষুদেবার্তা, রেডিও টেলিভিশনের মাধ্যমে আমরা আইনটির প্রচার করে যাচ্ছি। তথ্য কমিশনার অধ্যাপিকা খুরশিদা বেগম সাঈদ বলেন, আমরা সর্বক্ষণ কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু মিডিয়ার প্রচার না থাকায় আইনটি জনগণের কাছে এখনো সেভাবে পৌছানো সম্ভব হয় নি। তথ্য কমিশন সচিব সদর উদ্দিন আহমেদ বলেন গত ছয় মাসে আমরা ১১ টি জেলার সকল উপজেলায় প্রশিক্ষণ প্রদান ও জনঅবহিতকরণ সভা করেছি। অচিরেই দেশের সকল উপজেলায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও জনঅবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

(লিটন কুমার প্রামাণিক)

‘জনসংযোগ কর্মকর্তা’

ফোন: ৯১৩৭৩৩২

তথ্য কমিশন

 

Who's Online

We have 70 guests online